গত বৃহস্পতিবার এ পরোয়ানা জারি করে দেশটির আদালত। এই তালিকায় সাবেক প্রেসিডেন্ট হতিন কিয়াওসহ দুই বেসামরিক নেতা এবং আরো ২২ সামরিক কর্মকর্তার নামও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তবে এ পরোয়ানার সমালোচনা করেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। রোহিঙ্গা অ্যাডভোকেসি গ্রুপের আর্জেন্টিনায় দায়ের করা একটি মামলায় এ রায় দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে জান্তার মুখপাত্র জাও মিন তুন বলেছেন, আর্জেন্টিনা ও মিয়ানমার কেউ কাউকে চেনে না। আর্জেন্টিনার জন্য পরামর্শ হলো, তারা যদি আইন অনুসারে মিয়ানমারের সমালোচনা করতে চায় তাহলে আগে তারা তাদের অভ্যন্তরীণ বিচার বিভাগের জন্য প্রয়োজনীয় এবং শূন্যপদগুলোতে বিচারক নিয়োগ করুক। কারণ বুয়েনস আয়ার্সের বিচার বিভাগের সব স্তরের জন্য ১৫০ জন বিচারক প্রয়োজন বলে সে সময় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় অং সান সু চিকে ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় পরামর্শদাতা হিসেবে তার ভূমিকা উল্লেখ করা হয়েছিল। সে সময় রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে সু চি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর ভূমিকা পালন করেননি। তার সে সময়কার ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট সমালোচনার হয় বিশ্বব্যাপী। মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তদন্ত করছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’র অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে।

0 মন্তব্যসমূহ