এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, পানামার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভিয়ের মার্টিনেজ-আচা বলেছেন, ২০২৩ সালে অর্থ পাচারের অভিযোগে প্রায় ১১ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মার্টিনেলিকে নিকারাগুয়া ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, এই অনুমতি মানবিক কারণে দেওয়া হয়েছে, যাতে মার্টিনেলি বর্তমানের চেয়ে আরও অনুকূল পরিস্থিতিতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পান।
তিনি বলেন, ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনোর মিত্র মার্টিনেলি এই অনুমতির ফলে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা পাবেন, যা তার জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।
৭৩ বছর বয়সী মার্টিনেলি ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পানামার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। একটি প্রকাশনা সংস্থার অংশীদারিত্ব কেনার জন্য সরকারি অর্থ আত্মসাতের দায়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার বলে দাবি করা মার্টিনেলি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই নিকারাগুয়ার দূতাবাসে আশ্রয় নেন।
২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদের দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন, কিন্তু তাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয় এবং তার মিত্র মুলিনো তার স্থলাভিষিক্ত হন।
প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে কোটিপতি ব্যবসায়ী মার্টিনেলির বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি কেলেঙ্কারির তদন্ত চলছে।
বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে মার্টিনেলি বলেন, ‘আমার ছেলে, পরিবার এবং প্রিয়জনদের সাথে আমি নিকারাগুয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছি।’
.png)
0 মন্তব্যসমূহ