১৪ বছর পুরনো ATR ৭২ মডেলের বিমানটি কাসকাভেল থেকে সাও পাওলো’র গুয়ারুলহোস বিমানবন্দরে যাচ্ছিল। বিমানটিতে ৫৭ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। ভোপাস প্রথমে ৫৮ জন যাত্রী বললেও পরে সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করেছে, এবং জানানো হয়েছে যে, বিমানের সব ৬১ জনই নিহত হয়েছেন।
বিমানটি কোনো অপারেশনাল সমস্যার মুখে পড়েনি এবং সমস্ত সিস্টেম ফ্লাইট সম্পন্ন করার জন্য সক্ষম ছিল। তবে, ১৭,০০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছানোর পর বিমানটি দ্রুত পতন শুরু করে, ফ্লাইটরাডার২৪ অনুযায়ী। দুর্ঘটনার খবর স্থানীয় সময় বিকেল ১:২৮-তে সামরিক পুলিশের কাছে জানানো হয়।
দুর্ঘটনার স্থান আমাজন বনের একটি দূরবর্তী অঞ্চলে ছিল, তাতে উদ্ধারকর্মীদের জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ ছিল। তারা উদ্ধারকাজে পৌঁছে জানতে পারে যে, দুর্ঘটনার জায়গায় কোনো জীবিত ব্যক্তি নেই।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, “এটি ব্রাজিলের জন্য অত্যন্ত অন্ধকারময় একটি দিন। যারা এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আমাদের হৃদয় গভীরভাবে সংযুক্ত। আমরা এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ নির্ধারণে একটি সঠিক তদন্ত নিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”
ভোপাস একটি বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং তদন্তের সাথে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ব্রাজিলীয় জাতীয় সিভিল এভিয়েশন এজেন্সি (এনএএসসি) এবং ফেডারেল পুলিশ তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যদের জানানো হচ্ছে এবং তাদের সাহায্যের জন্য সহায়তা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। তদন্ত চলছে এবং কর্তৃপক্ষ জনগণের ধৈর্যের আবেদন করেছে।
এই ট্র্যাজিক ঘটনার মাধ্যমে বিমান চলাচলের নিরাপত্তার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তা মানের উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।
আরও আপডেটের জন্য Brazil Bangla TV সাথে থাকুন।

0 মন্তব্যসমূহ